রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করতে সকল কাগজপত্র প্রস্তুত করে এই লিংকে গিয়ে আবেদন করুন: বার কাউন্সিল রেজিস্ট্রেশন লিংক
হাইকোর্টের আইনজীবী
আইনজীবী হিসেবে ২ বছর কাজ করার পর, একজন ব্যক্তি হাইকোর্টের আইনজীবী হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। যদি তিনি যোগ্য প্রার্থী হন, একটি সাক্ষাৎকারের পর হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের লাইসেন্স পাবেন।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী
হাইকোর্টে ১০ বছর সফলভাবে প্র্যাকটিস করার পর, একজন আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে যোগদানের যোগ্যতা অর্জন করবেন। আবেদন করার পর, এটি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের দ্বারা মূল্যায়নের মাধ্যমে লাইসেন্স প্রদান করা হয়।
আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা
উল্লেখিত যে কোনো একটি ডিগ্রি অর্জনের পর এবং উপরের শর্তগুলো পূরণ হলে, যে কেউ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পিউপিলেজ রেজিস্ট্রেশন বা শিক্ষানবিশ আইনজীবী ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে পারবেন। আইনজীবী হওয়ার প্রথম ধাপ হলো এই ফার্স্ট ইন্টিমেশন ফর্ম বার কাউন্সিলে জমা প্রদান।
আবশ্যক ডকুমেন্টস
আবেদনকারীর জন্ম সনদের সন্তোষজনক প্রমাণ, অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী আইন বিষয়ে যোগ্যতার সন্তোষজনক প্রমাণ, আবেদনকারীর চরিত্র ও আচরণ সম্পর্কে ভালো অবস্থানরত দুজন ব্যক্তির প্রশংসাপত্র, ফর্মে উল্লেখিত তথ্যের সত্যতা ও নির্ভুলতা সংক্রান্ত একটি এফিডেভিট, এবং শিক্ষানবিশ হিসেবে ছয় মাস কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এমন একজন সিনিয়রের সঙ্গে (যার কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত ওকালতি করার অভিজ্ঞতা আছে) একটি চুক্তি করতে হবে। এছাড়া, নির্ধারিত ফির ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার প্রেরণের রসিদ প্রয়োজন।
প্রক্রিয়া
আইন বিষয়ে স্নাতক বা অন্য কোনো ডিগ্রির পরীক্ষা সমাপ্তির পরপরই উল্লিখিত চুক্তিপত্র, এফিডেভিট, এবং ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার প্রেরণের রসিদ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারি বরাবর পাঠাতে হবে।
পিউপিলেজ বা ফার্স্ট ইন্টিমেশন ফর্ম পূরণ শেষে, তা বার কাউন্সিলে জমা দিলে তারা একটি রিসিভ কপি প্রদান করবে যাতে সীল, স্বাক্ষর ও তারিখ থাকবে। এই রিসিভ কপি পাওয়ার পর, আপনার দায়িত্ব হলো আপনার সিনিয়র এডভোকেটের চেম্বারে ধারাবাহিক ছয় মাস শিক্ষানবিশকাল অতিক্রম করা এবং বাস্তবিকভাবে আদালতের কার্যক্রম শেখা।




0 Comments